কেশবপুরের সূর্যমুখী প্রদর্শনী এখন দর্শনীয় স্থান।

কেশবপুরের সূর্যমুখী প্রদর্শনী এখন দর্শনীয় স্থান।

কুমিল্লার তিতাস উপজেলার জগতেপুর ইউনিয়নের কেশবপুর গ্রামের নয়ন মিয়া উপজেলা কৃষি অফিস থেকে সূর্যমুখীর প্রদর্শনী নিয়ে সূর্যমুখী চাষ করেন। প্রথমাবস্থায় গাছ গুলো স্বাভাবিক ভাবে বড় হচ্ছিল। কৃষি কর্মকর্তার পরামর্শ নিয়ে খুব যত্ন করে যাচ্ছিলেন কৃষক। কিন্ত বাধ সাজে উপচে পরা দর্শনার্থী। অনেক বেশি দর্শনার্থী হওয়ায় কৃষক ফসলের চেয়ে ঘুরতে আসা মানুষের আনন্দ টাকে বড় করে দেখছে।

READ  হোমনায় লকডাউন অমান্য করায় ১০ জনকে অর্থদন্ড।

শীত প্রায় শেষ, বসন্ত চলছে। চারপাশে সবুজের পাশাপাশি হলুদের সমারহ। বিস্তর্ন সবুজের মাঝে সূর্যমুখীর হলুদের আভা যুক্ত করেছে ভিন্ন মাত্রার এক আবেশ।

কৃষক ও স্থানীয় ঘুড়তে আসা কিছু দর্শনার্থী জানান ফুল ফোটার পর থেকেই এখানে বাড়তে থাকে মানুষের সমাগম।

READ  কুমিল্লা উত্তর জেলার মুক্তিযুদ্ধের প্রজন্ম দলের কমিটি ঘোষনা।
মোঃ হাফিজের তোলা কেশবপুর সূর্যমুখী জমি থেকে।

এখানে ঘুড়তে আসা অনেকেই দূর দুরান্তের। ফসলের মাঠ জুরে যেনো উৎসবের আয়োজন। স্থানীয় অনেক সাজিয়েছেন দোকানের পশরা। ঘুড়তে আশা অনেকেই বসন্তে এখানে এসে স্বস্থি প্রকাশ করছে।

বেশ কয়েকদিন ধরেই সোস্যাল মিডিয়া জুরে চলছে এই সূর্যমুখী নিয়ে নানান আলোচনা।

READ  রাস্তার বেহালদশা, যেন দেখার কেউ নেইঃ তিতাসের খবর।

ঘুড়তে আসা মোহাম্মদ হাফিজ মিয়া জানান এটা বর্তমান সরকারের একটা চমৎকার প্রদর্শনী। এখানে ঘুড়তে আসা সবার মতো আমারও অনেক ভালো লাগছে।

যদিওবা ঘুড়তে আসা অনেক দর্শনার্থীদের জন্য ফসলের অনেক ক্ষতি হচ্ছে বা আশানুরূপ ফল পাওয়া যাবে না তবে দর্শনার্থীদের এমন আনন্দ দিতে পেরে কৃষক অনেক খুশি।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *