গণতন্ত্র নস্যাৎ দিবসে আওয়ামী স্বেচ্ছাসেবক লীগের বিক্ষোভ সমাবেশ ও মিছিল অনুষ্ঠিত।

গণতন্ত্র নস্যাৎ দিবসে আওয়ামী স্বেচ্ছাসেবক লীগের বিক্ষোভ সমাবেশ ও মিছিল অনুষ্ঠিত।

১৯৯৬ সালের ১৫ ফেব্রুয়ারি বেগম খালেদা জিয়ার নেতৃত্বে ভোটারবিহীন প্রহসনের নির্বাচন বাংলাদেশের ঐতিহাসিক কালো দিবস। এ উপলক্ষে আজ ১৫ ফেব্রুয়ারি ২০২১ ইং তারিখ রোজ সোমবার সকাল ১১ঃ০০ টায় ২৩ বঙ্গবন্ধু এভিনিউ এ সংগঠনের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সন্মুখে বাংলাদেশ আওয়ামী স্বেচ্ছাসেবক লীগ আয়োজিত বিক্ষোভ সমাবেশে বক্তব্য রাখেন সংগঠনের সভাপতি জননেতা নির্মল রঞ্জন গুহ, তিনি বলেন ১৫ ফেব্রুয়ারি বাংলাদেশের গণতন্ত্রের ইতিহাসে একটি কালো দিন। ১৯৯৬ সালের এইদিনে বিএনপি প্রহসনের মাধ্যমে বাংলাদেশের নির্বাচনী ব্যবস্থা ও গণতন্ত্রকে অন্ধকারে নিমজ্জিত করে। জন্মগতভাবেই গণতন্ত্র ও বিএনপির অবস্থান সম্পূর্ণ বিপরীত মেরুতে। ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে স্বপরিবারে নির্মমভাবে হত্যা করার পর নিজেদের অবৈধ ক্ষমতাকে দীর্ঘস্থায়ী করতে বিএনপি নামক বিষবৃক্ষের জন্ম দেয় খুনী জিয়াউর রহমান। ১৯৯৬ সালের ১৫ ফেব্রুয়ারি এক ভোটারবিহীন প্রহসনের নির্বাচনের মাধ্যমে বেগম খালেদা জিয়া জাতির পিতার খুনী কর্ণেল ফারুক – রশীদের ফ্রিডম পার্টি কে সাথে নিয়ে নির্বাচনের আয়োজন করে।১৫০ নিরীহ মানুষের প্রাণ কেড়ে নেয়। জননেত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বিক্ষোভে ফেটে পড়ে জনগন। প্রতিষ্ঠিত হয় জনতার মঞ্চ। জনগনের ক্ষোভ ও ঘৃণায় গণ অভ্যূত্থানে রুপান্তরিত হয়। গণদাবীর কাছে মাথানত করে ৩০ মার্চ ক্ষমতা ছাড়তে বাধ্য হয় স্বৈরাচারিনী বেগম খালেদা জিয়া। অবশেষে বঙ্গবন্ধু কন্যা জননেত্রী শেখ হাসিনার আপোষহীন নেতৃত্বে বিজয় অর্জিত হয় জনতার। শত ষড়যন্ত্র ও প্রতিবন্ধকতা জয় করে উন্নয়নের মহাসড়কে আজ বাংলাদেশ। শেখ হাসিনার জন্য বাংলাদেশ ধন্য।
সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক আফজালুর রহমান বাবু বলেন ১৫ ফেব্রুয়ারি স্বাধীন বাংলাদেশের ইতিহাসের একটি জগন্যতম কালো দিন। বাংলাদেশের সকল গণতন্ত্রকামী রাজনৈতিক দলের মতামত উপেক্ষা করে বিএনপি নেত্রী বেগম খালেদা জিয়া বাঙালির হাজার বছরের গর্বের ধন জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের খুনী কর্ণেল ফারুক – রশীদের ফ্রিডম পার্টিকে সাথে নিয়ে ১৯৯৬ সালের ১৫ ফেব্রুয়ারি একটি প্রহসনের নির্বাচন আয়োজন করে। ক্ষমতা কুক্ষিগত করার জন্য ১৫০ জন নিরীহ মানুষকে নির্মমভাবে হত্যা করে। জনগনের তীব্র ঘৃণা ও বিক্ষোভে ফেটে পড়ে বাংলাদেশ। জনগনের ক্ষোভ ও ঘৃণা গণ অভ্যূত্থানে রুপ নেয়। ৩০ মার্চ বিএনপির অবৈধ সরকার ক্ষমতা ছাড়তে বাধ্য হয়। ১৯৯৬ সালের ১২ জুন দীর্ঘ ২১ বছর পর রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্ব পায় গণ মানুষের প্রাণের সংগঠন বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ। জনগন ফিরে পায় ভোট ও ভাতের অধিকার। শেখ হাসিনার নেতৃত্বে সকল প্রতিবন্ধকতা জয় করে উন্নয়ন অগ্রগতির ধারায় এগিয়ে যায় বাংলাদেশ। বাংলাদেশ আজ বিশ্বের উন্নয়নের রোল মডেল। যতদিন শেখ হাসিনার হাতে থাকবে দেশ,পথ হারাবে না বাংলাদেশ। বিএনপি জামাতের ষড়যন্ত্রের রাজনীতি থেমে নেই! ২০১৪ সালে সারাদেশে ভয়াবহ সন্ত্রাসী কর্মকান্ড চালায়। পেট্রোল বোমা মেরে নিরীহ মানুষ কে আগুনে পুড়িয়ে হত্যা করে। উগ্র সাম্প্রদায়িক জঙ্গি গোষ্ঠীর সাথে জোটবদ্ধ হয়ে প্রতিনিয়ত ধর্মীয় উস্কানি দিয়ে মানুষ কে বিভ্রান্ত করে জননেত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন বর্তমান সরকারের বিরুদ্ধে গভীর ষড়যন্ত্রে লিপ্ত আছে। অশুভ অপশক্তির অপতৎপরতা রুখে দিতে সকল নেতাকর্মীকে সজাগ থাকার আহবান জানান। সমাবেশ শেষে একটি বিক্ষোভ মিছিল জিরো পয়েন্টে গিয়ে শেষ হয়। এসময় সংগঠনের কেন্দ্রীয় ও মহানগর উত্তর দক্ষিণের বিপুল সংখ্যক নেতাকর্মী উপস্থিত ছিলেন।

READ  ইতালি প্রবাসীর সৌজন্যে খাদ্য সামগ্রী বিতরণ।